বাংলা গানের ধারায় দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অবদান সংক্ষেপে আলােচনা করাে।

বাংলা গানের ধারায় দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অবদান


বাংলার এক ঐতিহাসিক যুগসন্ধিক্ষণে দ্বিজেন্দ্রলাল (১৯.৭.১৮৬৩-১৭.৫.১৯১৩) সৃষ্টি করেছেন তার নাটক এবং গানগুলি। যা আজও বহুলাংশে প্রাসঙ্গিক এবং জনপ্রিয়। সেই যুগে তাঁর রচিত নাটকগুলি সারা ভারতবর্ষেই প্রদর্শিত হত। ইতিহাসভিত্তিক সেই সমস্ত নাটকগুলির প্রয়ােজনে তিনি সৃষ্টি করেছিলেন প্রচুর গান। যার বেশিরভাগটাই ছিল দেশপ্রেমমূলক। তার সাথে রয়েছে বেশ কিছু প্রেম, প্রকৃতি ও আধ্যাত্মিক ভাবনার গানও। তাঁর নাটকগুলির বিপুল জনপ্রিয়তার মূলে ছিল আদর্শবাদ এবং যুগের চাহিদা অনুসারী মঞ্চ উপস্থাপন। তাঁর গানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযােজ্য। তিনি সেই সময়ের সুর ধরতে পেরেছিলেন। সেই সুর এনেছিলেন তার গানে।


সাজাহাননাটকের 'ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা' গানটি প্রায় জাতীয় সংগীত পর্যায়ের হয়ে উঠেছিল। প্রতাপসিংহ নাটকের 'ধাও ধাও সমরক্ষেত্রে’, দুর্গাদাস-এর 'পাঁচশাে বছর এমনি করে' অথবা মেবার পতন-এর 'মেবার পাহাড় মেবার পাহাড়' সমস্ত ভারতবাসীর মন জয় করেছে। তাঁর রচিত অন্যান্য দেশাত্মবােধক গান, চিরকালীন যেমন 'যেদিন সুনীল জলধি হইতে' অথবা 'ভারত আমার ভারত আমার অপূর্ব'। তার গান সেই সময় থেকেই দ্বিজেন্দ্রগীতি নামে খ্যাত। রবীন্দ্র সমকালে অবস্থান করেও তার গান আপন স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে কালজয়ী হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ নিজেও তার গানের ভক্ত ছিলেন। দ্বিজেন্দ্রলালের হাসির গানও বিখ্যাত। যা ওই যুগে বাঙালি শ্রোতাদের নির্মল আনন্দের আস্বাদন এনে দিয়েছিল। তার গানে তিনি দেশজ সুরের সঙ্গে পাশ্চাত্য সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যা সুরের ক্ষেত্রে নতুনত্ব এনে দিয়েছে। বাংলা গানের এক বিরাট স্তম্ভ দ্বিজেন্দ্রগীতি।


বাংলা গানের ধারায় রজনীকান্ত সেনের অবদান আলােচনা করাে। 


বাংলা গানের ধারায় গীতিকার ও সুরকার অতুলপ্রসাদ সেনের অবদান সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলােচনা করাে। 


বাংলা গানের ইতিহাসে চারণ কবি মুকুন্দদাসের অবদান সম্পর্কে আলােচনা করাে। 


বাংলা সংগীতের ধারায় কাজী নজরুল ইসলামের অবদান আলােচনা করাে। 


সুরকার ও গীতিকার সলিল চৌধুরীর কৃতিত্ব আলােচনা করাে।  

অথবা, বাংলা গানের ধারায় সলিল চৌধুরীর বিশিষ্টতা সম্পর্কে আলােচনা করাে। 


লােকগান বলতে কী বােঝ? এর বিষয় বৈচিত্র্য সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে। 

অথবা, বাংলা লােকসংগীতের ধারার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 

অথবা, বাংলা লােকসংগীত সম্পর্কে আলােচনা করাে। 


ভাওয়াইয়া-চটকা গান সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলােচনা করাে। 


চটকা গানের বিশিষ্টতা আলােচনা করে ভাওয়াইয়ার সঙ্গে এর মিল ও অমিলগুলি নির্দেশ করাে। 


ভাটিয়ালি গান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে। 


বাংলা লােকসংগীতের ধারায় সারিগানের ভূমিকা বিশ্লেষণ করাে। 


ঝুমুর গান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে। 


বাউল সংগীত সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে।