চর্যাপদের দার্শনিকতা এবং ধর্মমত | 'চর্যাপদ'-এ সমকালীন সমাজজীবনের পরিচয় | বাংলা ভাষার ইতিহাসে চর্যাপদের গুরুত্ব | চর্যাপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

চর্যাপদের দার্শনিকতা এবং ধর্মমত সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে।


চর্যাপদগুলি মূলত মহাযান ধর্মশাখার অন্তর্গত‌ সহজযান ধর্মশাখার সাধনসংগীত। মহাসুখ' তাদের চরম লক্ষ্য। ভুসুকুপাদ বলেছেন 'সহজানন্দ মহাসুহ লীলে'-র কথা। তান্ত্রিক বৌদ্ধমতের এই মহাসুখ হল বস্তুজগতের সংস্পর্শহীন এক সর্বশূন্য অবস্থা। এই মহাসুখের অন্য নাম সহজানন্দ। দেহকে চারটি চক্রে অর্থাৎ নির্বাণকায়, সম্ভোগকায়, ধর্মকায় এবং উয়ীষকায়ে ভাগ করে চর্যাসাধকেরা শেষতম ভাগে অর্থাৎ উয়ীষে সহজানন্দের সন্ধান করেছেন। মহাসুখের সঙ্গে যেমন শূন্যের যােগ, তেমনই যােগ বিজ্ঞানবাদেরও। চর্যানীতির শূন্যবাদ হল অস্তিত্বময় বিজ্ঞানবাদ। এটি সৎ অর্থাৎ অস্তিত্বসম্পন্ন। চর্যা সাধকেরা সহজসুখের ধারণাকে একটি 'বাক্পথাতীত তত্ত্ব' অর্থাৎ ভাষা বা প্রকাশের অতীত তত্ত্ব বলে বর্ণনা করেছেন।


চর্যাপদ বৌদ্ধধর্মের মূলগত ভাবনার অনুসারী হলেও এটা স্পষ্ট যে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মই এখানে প্রাধান্য লাভ করেছে। বাংলা দেশের অনার্য সংস্কৃতি এবং কৌম (গােষ্ঠী) জীবনই চর্যার প্রেক্ষাপট। জীবনযাপনের অসহনীয়তা থেকে মুক্তির বাসনা চর্যাপদগুলিতে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে যেমন বৌদ্ধধর্মের মূল আদর্শের সঙ্গে তার সাদৃশ্য আছে, তেমনি অন্যদিকে গুরুবাদকে স্বীকার করে নিয়ে তা প্রথাগত বৌদ্ধধর্ম থেকে অনেকটাই আলাদা হয়ে গিয়েছে। এই দেহতত্ত্বনির্ভর সাধনা পরবর্তীকালের বাংলা সাহিত্যের অজস্র গুরুত্বপূর্ণ ধারার পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।



চর্যাপদের বিষয়বস্তুর উল্লেখসহ তার সাহিত্যমূল্যের পরিচয় দাও।


সহজিয়া পন্থী নামে পরিচিত এক শ্রেণির বৌদ্ধ সাধক তাদের সাধনার গৃঢ় তত্ত্বকে লৌকিক জীবনের আধারে রূপক ও সংকেতের সাহায্যে প্রকাশ করতেই চর্যাপদ রচনা করেছিলেন। তাই চর্যাপদ ধর্মবিষয়ক রচনা হলেও চর্যার গানগুলির 'সাহিত্যমূল্য-কে কিন্তু একেবারে উপেক্ষা করা যায় না।


বহু বিচিত্র অনুভব ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন লক্ষ করা যায় চর্যাপদ এ, যার কোনাে-কোনােটি মানবিক আবেদনে সিক্ত। কুক্কুরীপাদ রচিত একটি পদে আছে-

ফেটলিউ গাে মাত্র অন্তউড়ি চাহি।


অর্থাৎ, মা গাে, আমি প্রসব করেছি, এখন কার একটি আঁতুড়ঘরের। দুঃখিনী নারীর এই কাতর আর্তি একালের পাঠকের মনকে ছুঁয়ে যায়। ঢেণ্ডনপাদ রচিত একটি পদে আমরা দেখতে পাই নিঃসঙ্গ অথচ বিড়ম্বিত জীবনের বেদনা-

টালত মাের ঘর নাহি পড়বেষী। 

হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী।।


‘চর্যাপদগুলি মূলত গান হওয়ায় ছন্দের ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও এর শিথিলতা আছে। তা সত্ত্বেও প্রাকৃত পাদাকুলক ছন্দের আদর্শকে যথাসম্ভব অনুসরণের চেষ্টা এই পদগুলির মধ্যে লক্ষ করা যায়। কাজেই পদের আঙ্গিক সম্পর্কে পদকর্তারা যে সচেতন ছিলেন, এ কথা বলা যেতেই পারে।



'চর্যাপদ'-এ সমকালীন সমাজজীবনের কীরূপ পরিচয় পাওয়া যায়, তা আলােচনা করাে।


চর্যাপদের কবিগণ বাস্তব জীবনের বিভিন্ন চিত্রকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন তাঁদের রচিত পদগুলিতে। সেজন্য চর্যাপদ থেকে তখনকার সমাজজীবন সম্পর্কে অনেক কথাই জানতে পারা যায়।


বর্ণভেদ: 'চর্যাপদ এর পদগুলিতে নিম্নবর্গীয় ডােম শবরদের মতাে মানুষ সাধারণ জনবসতি থেকে দূরে বাস করত। উচ্চবর্ণের মানুষেরা এইসব নিম্নবর্ণের মানুষদের ছোঁয়া বাঁচিয়ে চলার চেষ্টা করত।


জীবিকা: প্রাচীন বাংলার মানুষের যে কয়েকটি জীবিকার উল্লেখ আছে এই গ্রন্থে, তা হল তাঁত বােনা, চাঙ্গারি তৈরি করা, পশু-শিকার করা, নৌকা বাওয়া, মাছ ধরা, মদ তৈরি ও বিক্রি করা, জঙ্গলের গাছ কাটা প্রভৃতি।


আহার্য: প্রধান খাদ্য হিসেবে ভাত এবং অন্যান্য আহার্য বস্তু হিসেবে দুধ, মাছ ও মাংসের উল্লেখ পাওয়া যায় চর্যাপদ-এ।


উৎসব-অনুষ্ঠান: 'চর্যাপদএর যুগে বাজনা বাজিয়ে বরের বিবাহ করতে যাওয়ার প্রচলন ছিল; এমনকি যৌতুক প্রথারও উল্লেখ পাওয়া যায়। সামাজিক উৎসব-অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে নাচ, গান ও অভিনয়ের যে প্রচলন ছিল, একটি পদে তার প্রমাণও পাওয়া যায়।


বিনােদন: সেকালে মাদল, পটহ, ডমরু, বাঁশি, একতারা, বীণা প্রভৃতি বাদ্যযন্ত্র ছিল। অবসর বিনােদনের জন্য নববল’ বা দাবা খেলা হত আর কপূর সহযােগে পান খাওয়া ছিল বিশেষ বিলাসিতা।


সতর্কতামূলক ব্যবস্থা: ‘চর্যাপদ’-এর যুগে দেশে চোর ডাকাতের যেমন উপদ্রব ছিল, তেমনি সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও ছিল।



বাংলা ভাষার ইতিহাসে চর্যাপদের গুরুত্ব আলােচনা করাে।


বাংলা ভাষার ইতিহাসে চর্যাপদের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে চর্যাপদের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি হল-


  • চর্যাপদ যেহেতু বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন, সেজন্য বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ জানার ক্ষেত্রে ‘চর্যাপদ’-এর ভূমিকা অপরিহার্য।

  • চর্যাপদ আবিষ্কারের ফলে বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। চর্যাপদ না থাকলে বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগ সম্পর্কে অনেক তথ্যই অজানা থেকে যেত আর তার ফলে বাংলা ভাষার ইতিহাসও হত অসম্পূর্ণ।

  • বেশ কিছু বাংলা শব্দের বিবর্তনের ধারাপথটিকে চিনে নেওয়ার জন্য এই গ্রন্থের শরণাপন্ন হতে হয়।

  • বাংলা কবিতার ছন্দের ইতিহাস অনুসন্ধান করতে গেলে চর্যাপদ' অপরিহার্য। বাংলা ছন্দের গঠনের ক্ষেত্রে চর্যাপদ এর ছন্দের প্রভাবকে স্বীকার করেন ছান্দসিকরা।

  • বাংলা কবিতায় যে অন্ত্যমিল দেখা যায়, সেই অন্ত্যমিলেরও উৎস হল 'চর্যাপদ।

  • ‘চর্যাপদ’-এ ব্যবহৃত কিছু প্রবাদ ও রূপকল্প পরবর্তীকালের বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।


সুতরাং বলা যায়, বাংলা ভাষার ইতিহাসে সামগ্রিকভাবে ‘চর্যাপদ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম।



চর্যাপদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আলােচনা করাে।


চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র নিদর্শন। ইতিহাসগত দিক থেকে ও সাহিত্যমূল্যের বিচারে চর্যাপদের বিশেষ গুরুত্ব আছে। এই গুরুত্বগুলি হল-


  • চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলা ভাষার প্রাচীনরূপ সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের প্রধান অবলম্বন হল চর্যাপদ।

  • চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যেরও প্রাচীনতম নিদর্শন। বহু বাংলা শব্দের বিবর্তনের ধারাপথটিকে চিনে নিতে এই গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।

  • বাংলা কবিতার ছন্দের ইতিহাস অনুসন্ধান করতে গেলে ‘চর্যাপদ’-এর আলােচনা অপরিহার্য। বাংলা ছন্দের গঠনের ক্ষেত্রে চর্যার ছন্দের প্রভাবকে স্বীকার করেন ছান্দসিকরা।

  • বাংলা কবিতায় যে অন্ত্যমিল দেখা যায়, সেই অন্ত্যমিলেরও উৎস বলা যায় 'চর্যাপদ কে।

  • ‘চর্যাপদ’-এ ব্যবহৃত কিছু প্রবাদ ও রূপকল্প পরবর্তীকালের বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।

  • প্রাচীন বাংলার সামাজিক ইতিহাসচর্চাতে চর্যাপদ গ্রন্থের অন্য কোনাে বিকল্প হয় না। প্রাচীন বাংলার সমাজজীবনের বিভিন্ন পরিচয় ছড়িয়ে আছে এই গ্রন্থে।

  • হাজার-বারােশাে বছর আগেকার ধর্মীয় ইতিহাস জানতে গেলেও আমাদের শরণাপন্ন হতে হবে চর্যাপদের।



চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন? সন্ধ্যাভাষা বলতে কী বােঝ? বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থের গুরুত্ব কোথায় ?


মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথিটি আবিষ্কার করেন।


সন্ধ্যাভাষা: সন্ধ্যার ম্লান লগ্নের যেমন, গভীর রহস্যময়তা ও অস্পষ্টতা থাকে, সন্ধ্যাভাষা হল তেমনই অস্পষ্ট ও রহস্যময় এক ভাষা। এই ভাষার বাইরে থাকে সাধারণ অর্থ, ভিতরে সুগভীর আধ্যাত্মিকতা। সম্যক ধ্যানের মাধ্যমে এই ভাষাকে বুঝতে হয় বলেও এর নাম সন্ধ্যা হয়ে থাকতে পারে। চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা বলা হয়।


বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চর্যাপদের গুরুত্ব:


  • চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলা ভাষার প্রাচীনরূপ সম্বন্ধে জানবার প্রধান অবলম্বন হল চর্যাপদ।

  • বহু বাংলা শব্দের বিবর্তনের ধারা খুঁজে পেতে এই গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।

  • বাংলা কবিতার ছন্দের ইতিহাস অনুসন্ধান করতে গেলে ‘চর্যাপদ’-এর আলােচনা অপরিহার্য।

  • বাংলা কবিতায় যে অন্ত্যমিল দেখা যায়, সেই অন্ত্যমিলেরও উৎস বলা যায় 'চর্যাপদ' কে।

  • ‘চর্যাপদ’-এ ব্যবহৃত কিছু প্রবাদ ও রূপকল্প পরবর্তীকালের বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে।


'পাথরগুলাে সব পাগল হয়ে যাবে...' —পাথরগুলাে পাগল হয়ে যাবে কেন?

‘গুরু’ নাটকে পঞ্চক চরিত্রটি আলােচনা করাে।

অচলায়তনের প্রাচীর ভেঙে পড়লে ছাত্রদের মধ্যে এর কী প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল?

"অচলায়তনে তাঁকে কোথাও ধরবে না" -কাকে কেন অচলায়তনের কোথাও ধরবে না?


অচলায়তনের বালক সম্প্রদায়ের কী বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে?

"এই তাে আমার গুরুর বেশ" -গুরুর কোন বেশের কথা বলেছে?

“শিলা জলে ভাসে”—কে, কোন্ প্রসঙ্গে কেন এ কথা বলেছেন?

"ভুল করেছিলুম জেনেও সে ভুল ভাঙতে পারিনি।” কে কাকে কোন্ ভুলের কথা বলেছে? ভুল ভাঙেনি কেন?


“ওরা ওদের দেবতাকে কাঁদাচ্ছে" -কারা কেন তাদের দেবতাকে কাদাচ্ছে?

পঞ্চক শূনকদের কাছ থেকে কোন্ গানের মন্ত্র পেয়েছে? অচলায়তনের মন্ত্রের সঙ্গে তার পার্থক্য কোথায়?

দাদাঠাকুর পঞ্চককে তার দলে নিতে চাননি কেন আলােচনা করাে।

"একটু উৎপাত হলে যে বাঁচি"—কে বলেছে? কোন উৎপাত? সে উৎপাত চায় কেন?


"আমাদের রাজার বিজয়রথ তার উপর দিয়ে চলবে" -প্রসঙ্গটির ব্যাখ্যা দাও।

যূনকরা চাষ করে কেন? তাদের গানে এই চাষের আনন্দ কীভাবে ফুটে উঠেছে?

"ভাই তােরা সব কাজই করতে পাস" -কে, কাকে, কেন এ প্রশ্ন করেছে?

“ঐ আমাদের দুর্লক্ষণ”—কার সম্পর্কে কেন এমন কথা বলা হয়েছে?


“প্রাণকে প্রাণ দিয়ে জাগিয়ে দিয়ে যাও" -কে, কার উদ্দেশ্যে এই প্রার্থনা করেছে? কেন এই প্রার্থনা করেছে?

“সে কি গর্ভের মধ্যেও কাজ করে?" -কে, কোন প্রসঙ্গে বলেছেন? গর্ভের মধ্যে কী কাজ করে? তার কী প্রমাণ মেলে?

"ওঁকে অচলায়তনের ভূতে পেয়েছে" -কার সম্বন্ধে একথা কে বলেছে? অচলায়তনের ভূত কী? কীভাবে তাকে ভূতে ধরেছে?

মহাপঞ্চকের সঙ্গে আচার্য অদীনপুণ্যের বিরােধ বাধল কেন? কে, কোথায় অদীনপুণ্যের নির্বাসন দিলেন?

"শুনেছি অচলায়তনে কারা সব লড়াই করতে এসেছে।" -শিক্ষায়তন কীভাবে অচলায়তনে পরিণত হয়েছিল? সেখানে কারা লড়াই করতে এসেছিল এবং কেন?


নৃতাত্ত্বিক পর্যায় কাকে বলে? কীসের ভিত্তিতে নৃতাত্ত্বিক পর্যায় চিহ্নিতকরণ করা হয় লেখাে।

নিগ্রোবটু, আদি-অস্ট্রাল, দ্রাবিড় এবং আলপীয়- ভারতের এই চারটি প্রাচীন জনগােষ্ঠীর পরিচয় দাও।

নর্ডিক ও মঙ্গোলীয় জনগােষ্ঠী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলােচনা করাে।

বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় দাও।

বাংলার আদি ও পরবর্তীকালের সমাজবিন্যাস সম্পর্কে আলােচনা করাে।

বিভিন্ন বাঙালি জাতির মধ্যে নৃতাত্ত্বিক সম্পর্ক নিজের ভাষায় আলােচনা করাে।


বাংলা ভাষার বিকাশের আগে বাঙালি কবিদের সাহিত্যচর্চার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ করে আদি ও মধ্য যুগের প্রধান প্রধান সাহিত্যকীর্তির পরিচয় দাও।

বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ করে আধুনিক যুগের প্রধান প্রধান সাহিত্যের পরিচয় দাও।

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগে সমাজ ও সংস্কৃতির যে পরিচয় পাওয়া যায় তা সংক্ষেপে লেখাে।